কে ছিলেন মাহসা আমিনি?
উত্তর: মাহসা (জিনা) আমিনি (1999–2022) ছিলেন একজন 22 বছর বয়সী কুর্দি-ইরানি নারী যিনি 2022 সালের 16 সেপ্টেম্বর ইরানের গাইডেন্স পেট্রোল দ্বারা আটক হওয়ার পর পুলিশ হেফাজতে মারা যান। তাঁর মৃত্যু 'নারী, জীবন, স্বাধীনতা' গণঅভ্যুত্থানের সূত্রপাত করে।
সম্পূর্ণ প্রমাণ এবং উৎস →
২০২৬ সালের ইরান বিক্ষোভে কতজন নিহত হয়েছেন?
উত্তর: এইচআরএএনএ-র যাচাইকৃত নামের তালিকা ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এ ৭,০০৭ জন নিশ্চিত মৃত্যুতে শেষ হয়েছে — ৬,৪৮৮ জন প্রাপ্তবয়স্ক বিক্ষোভকারী, ২৩৬ জন নাবালক এবং ২০৭ জন নিরাপত্তা কর্মী — আরও ১১,৭৪৪টি মামলা পর্যালোচনার অধীনে রয়েছে। ইরানের সরকার ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এ ৩,১১৭ জন মৃত্যু স্বীকার করেছে, অন্যদিকে ইরান ইন্টারন্যাশনালের উদ্ধৃত সিনিয়র কর্মকর্তারা মৃতের সংখ্যা ৩০,০০০-এর বেশি এবং কিছু অনুমান ৪২,০০০-এর বেশি বলে জানিয়েছেন। যাচাইকৃত নামের তালিকা হল সর্বনিম্ন সীমা, সর্বোচ্চ নয়।
সম্পূর্ণ প্রমাণ এবং উৎস →
ইরান কতজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে?
উত্তর: ইরান হিউম্যান রাইটস ২০২৪ সালে ৯৭২টি মৃত্যুদণ্ড রেকর্ড করেছে — যা ২০০৮ সালের পর সর্বোচ্চ — এবং ২০২৫ সালে ১,৫০০-এরও বেশি। বিক্ষোভ-সম্পর্কিত মৃত্যুদণ্ড আলাদাভাবে গণনা করা হয় এবং আমাদের মৃত্যুদণ্ড পৃষ্ঠাগুলিতে পৃথকভাবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।
সম্পূর্ণ প্রমাণ এবং উৎস →
2022 সালের নারী জীবন স্বাধীনতা বিক্ষোভে কতজন নিহত হয়েছিলেন?
উত্তর: অন্তত 551 জন বিক্ষোভকারী, যাদের মধ্যে 71 জন শিশু; 22,000 জনেরও বেশি গ্রেফতার। সূত্র: অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল, ইরান হিউম্যান রাইটস (IHR), HRANA।
সম্পূর্ণ প্রমাণ এবং উৎস →
ইরান প্রতি বছর কতজনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করে?
উত্তর: ইরান হিউম্যান রাইটস ২০২৪ সালে কমপক্ষে ৯৭২টি এবং ২০২৫ সালে ১,৫০০টিরও বেশি মৃত্যুদণ্ড নথিভুক্ত করেছে। জনসংখ্যা অনুপাতে ইরান অন্য যেকোনো দেশের চেয়ে বেশি মানুষের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করে এবং মোট সংখ্যার দিক থেকে চীনের পরেই এর অবস্থান।
সম্পূর্ণ প্রমাণ এবং উৎস →
২০২২ সাল থেকে ইরান কতজন বিক্ষোভকারীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে?
উত্তর: ইরান হিউম্যান রাইটস-এর নথি অনুযায়ী ২০২২ সালের নারী, জীবন, স্বাধীনতা বিদ্রোহের সাথে সম্পর্কিত অন্তত ১০টি বিক্ষোভ-সম্পর্কিত মৃত্যুদণ্ড এবং ২০২৫–২০২৬ সালের 'ক্রিমসন উইন্টার' বিদ্রোহের সাথে যুক্ত ক্রমবর্ধমান সংখ্যক মৃত্যুদণ্ড নথিভুক্ত করা হয়েছে।
সম্পূর্ণ প্রমাণ এবং উৎস →
ইরানি আইনে 'মোহারেবেহ' কী?
উত্তর: মোহারেবেহ — 'আল্লাহর বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা' — ইরানের দণ্ডবিধির ২৭৯ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী একটি মৃত্যুদণ্ডযোগ্য অপরাধ, যা সাধারণত নির্যাতনের মাধ্যমে প্রাপ্ত স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে বিক্ষোভকারীদের ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা হয়।
সম্পূর্ণ প্রমাণ এবং উৎস →
২০২৬ সালে কি ইরানে হিজাব এখনও বাধ্যতামূলক থাকবে?
উত্তর: হ্যাঁ। ইসলামিক প্যানেল কোডের ধারা ৬৩৮ বলবৎ রয়েছে এবং ২০২৪ সালের এপ্রিলে চালু হওয়া নূর প্ল্যানের মাধ্যমে এর প্রয়োগ অব্যাহত আছে। কঠোরতর হিজাব ও পবিত্রতা বিলটি ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে স্থগিত করা হয়েছিল কিন্তু বাতিল করা হয়নি।
সম্পূর্ণ প্রমাণ এবং উৎস →
ইরানে হিজাব না পরার জন্য কী শাস্তি রয়েছে?
উত্তর: অনুচ্ছেদ ৬৩৮ অনুযায়ী ১০ দিন থেকে ২ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা জরিমানা। ২০২৩-২৪ সালের সতীত্ব ও হিজাব বিল এই শাস্তি বাড়িয়ে প্রায় $৮,৫০০ পর্যন্ত জরিমানা, সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড, যানবাহন বাজেয়াপ্তকরণ, ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা এবং ব্যবসা বন্ধ করার বিধান করেছে।
সম্পূর্ণ প্রমাণ এবং উৎস →
আইআরজিসি, বাসিজ এবং পুলিশের মধ্যে পার্থক্য কী?
উত্তর: ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পস (সেপাহ) হলো একটি সমান্তরাল সামরিক ও অর্থনৈতিক শক্তি যা সর্বোচ্চ নেতার কাছে জবাবদিহি করে। বাসিজ হলো আইআরজিসি-র অধীনস্থ একটি ব্যাপক স্বেচ্ছাসেবী মিলিশিয়া, যা রাস্তার স্তরে দমন-পীড়ন এবং পাড়া নজরদারির জন্য ব্যবহৃত হয়। পুলিশ (ফারাজা) হলো সাধারণ আইন প্রয়োগকারী সংস্থা, যার অন্তর্ভুক্ত ছিল গাশত-এ এরশাদ নৈতিকতা টহল। দমন-পীড়নের সময় এই তিনটি সংস্থা একসাথে কাজ করে, যে কারণে কোনো হত্যাকাণ্ডকে একটি নির্দিষ্ট বাহিনীর দিকে atribu করা এত কঠিন।
সম্পূর্ণ প্রমাণ এবং উৎস →
ইরানে 1988 সালের গণফাঁসি কী ছিল?
উত্তর: 1988 সালের গ্রীষ্মে 'ডেথ কমিশন' নামে পরিচিত একটি প্যানেলের আদেশে হাজার হাজার রাজনৈতিক বন্দীর সংক্ষিপ্ত বিচার ছাড়াই মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল, জাতিসংঘের বিশেষ প্রতিবেদক এবং বোরুমন্দ সেন্টার দ্বারা নথিভুক্ত।
সম্পূর্ণ প্রমাণ এবং উৎস →
ইরানের মৃত্যুর সংখ্যা কেন এত ভিন্ন?
উত্তর: ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট, জোরপূর্বক রাতের দাফন, পরিবারগুলোকে মৃত্যুকে দুর্ঘটনা হিসেবে রেকর্ড করার চাপ এবং হাসপাতাল থেকে মৃতদেহ জব্দ করা—সবই সংখ্যা দমন করে। নামসহ যাচাইকৃত তালিকা (HRANA, Iran Human Rights) রক্ষণশীল নিম্নসীমা; হাসপাতালের রেজিস্ট্রি ও সরকারি ফাঁস বেশি; রাষ্ট্রের নিজস্ব সংখ্যা সবচেয়ে কম।
সম্পূর্ণ প্রমাণ এবং উৎস →
ইরান সম্পর্কিত জাতিসংঘের তথ্যানুসন্ধান মিশন কী?
উত্তর: ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে শুরু হওয়া বিক্ষোভের সাথে সম্পর্কিত কথিত লঙ্ঘনের তদন্তের জন্য ২০২২ সালের নভেম্বরে জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিল কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত একটি স্বাধীন আন্তর্জাতিক তথ্যানুসন্ধান মিশন, বিশেষ করে নারী ও শিশুদের বিরুদ্ধে সংঘটিত ঘটনাগুলি। এর প্রতিবেদনগুলি এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে যে ইরানি নিরাপত্তা বাহিনী হত্যা, কারাদণ্ড, নির্যাতন, ধর্ষণ এবং জোরপূর্বক অন্তর্ধান সহ মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ করেছে।
সম্পূর্ণ প্রমাণ এবং উৎস →
ইরানের বাইরে কতজন ইরানি বাস করে?
উত্তর: বিশ্বব্যাপী ইরানি প্রবাসীদের সংখ্যা প্রায় চার থেকে আট মিলিয়ন বলে বিশ্বাসযোগ্য অনুমান রয়েছে। এই বিস্তৃত পরিসরের কারণ হলো জাতীয় পরিসংখ্যানগুলো বিভিন্ন বিষয় গণনা করে: কিছু শুধুমাত্র জন্মস্থান রেকর্ড করে, অন্যগুলো ইরানি বংশোদ্ভূত দ্বিতীয় প্রজন্মের নাগরিকদের অন্তর্ভুক্ত করে, এবং কোনোটিই নথিপত্রহীন অভিবাসীদের হিসাব রাখে না। প্রায় পাঁচ মিলিয়ন একটি কার্যকারী সংখ্যা হিসেবে সবচেয়ে বেশি উল্লেখিত রক্ষণশীল অনুমান।
সম্পূর্ণ প্রমাণ এবং উৎস →
সাইরাস সিলিন্ডার কী?
উত্তর: মহান সাইরাসের সময়, ৫৩৯ খ্রিস্টপূর্বে খোদাই করা মাটির বেলন; প্রায়ই বিশ্বের প্রথম মানবাধিকার সনদ বলা হয়। ধর্মীয় স্বাধীনতা, নির্বাসিতদের দাসত্ব বিলোপ ও স্বদেশে ফেরার অধিকার ঘোষণা করে।
সম্পূর্ণ প্রমাণ এবং উৎস →